হোয়াইটওয়াশের পথে পাকিস্তান, দলে একাধিক রদবদল-পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য সতর্কবার্তা।

দীর্ঘ ১০ বছর পর দেশের মাটিতে আন্তর্জাতিক সিরিজ খেলছে পাকিস্তান। স্বভাবতই ঘরের মাঠে সিরিজের শেষ ম্যাচটি জয় দিয়ে শেষ করতে চাইবেন মিসবাহ-উল হকের শিষ্যরা। অবশ্য লংকানদের সামনেও থাকছে ধবলধোলাইয়ের সুযোগ। তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে খেলতে নামছে পাকিস্তান। বুধবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে শুরু হবে ম্যাচটি। এরই মধ্যে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছে পাক ব্রিগেড। এখন হোয়াইটওয়াশ এড়ানোই তাদের লক্ষ্য। স্বভাবতই এ মিশনে পরিবর্তিত দল নিয়ে মাঠে নামবেন সরফরাজ আহমেদ!

এ ম্যাচে দুদলেই কিছু পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সাইড বেঞ্চ বাজিয়ে দেখতে পারেন সফরকারীরা। তবে বেশি রদবদল আসতে পারে পাকিস্তানে। দীর্ঘ সময় পর দলে ডাক পাওয়া আহমেদ শেহজাদ ও উমর আকমল গত দুই ম্যাচেই ব্যর্থ হয়েছেন। এ জায়গাগুলোতে পরিবর্তন আসতে পারে। শেহজাদের পরিবর্তে একাদশে দেখা যেতে পারে ইফতেখার আহমেদকে। উমর আকমলের জায়গায় ঢুকতে পারেন হারিস সোহেল। গত ম্যাচে বাজে বোলিং করেছেন ওয়াহাব রিয়াজ। তার স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন উসমান শিনওয়ারি। প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি লেগস্পিন অলরাউন্ডার শাদাব খান। তার স্থানে আসতে পারেন মোহাম্মদ নেওয়াজ। এ ছাড়া আর বদলের সম্ভাবনা নেই।
সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৬৪ রানে হেরেছে পাকিস্তান। আর দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৩৫ রানে হেরেছেন তারা। অথচ দাপটের সঙ্গে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ ২-০তে জেতেন স্বাগতিকরা। সেই সিরিজ পরাজয়ের প্রতিশোধ টি-টোয়েন্টি সিরিজে নিয়ে নিয়েছে তারুণ্যে ভরা শ্রীলংকা। ২০০৯ সালের পর এই প্রথম পাকিস্তান সফরে গেছে শ্রীলংকা। নিরাপত্তা অজুহাতে সফর থেকে সরে দাঁড়ান অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, লাসিথ মালিঙ্গাসহ ১০ খেলোয়াড়। দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে সফরে যান লংকানরা। তুলনামূলক খর্বশক্তির এ দলটির বিপক্ষে ধরাশায়ী হয়েছেন সরফরাজরা।

ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে পাক কোচ বলেন, সিরিজের আগে দুদলের মধ্যে পরিষ্কার পার্থক্য ছিল। অভিজ্ঞতা, রেকর্ড-পরিসংখ্যান, শক্তিমত্তায় এগিয়ে ছিলাম আমরা। অনভিজ্ঞ একটি দলের কাছে হেরে গেছি। যদিও তারা যথেষ্ট নিয়মনিষ্ঠ। প্রত্যেকটি কাজই ঠিকভাবে করেছে। আমরা আমাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পুরোপুরিভাবে ব্যর্থ হয়েছি।

পাকিস্তান সম্ভাব্য একাদশ
সরফরাজ আহমেদ (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), বাবর আজম, ফখর জামান, আহমেদ শেহজাদ/ইফতেখার আহমেদ, উমর আকমল/হারিস সোহেল, আসিফ আলি, ওয়াহাব রিয়াজ/উসমান শিনওয়ারি, ইমাদ ওয়াসিম, শাদাব খান/মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ আমির ও মোহাম্মদ হাসনাইন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *