আকর্ষণীয় স্কলারশিপসহ গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি চলছে।

গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে সর্বোচ্চ ১০০% পর্যন্ত ওয়েভারে ভর্তি চলছে

বাংলাদেশের অন্যতম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গ্রীণ ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। এটি ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।  বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ প্রতিবেদন ও অভ্যন্তরীণ তথ্যমতে, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ২৩০ জনের অধিক শিক্ষক পাঠদান করছেন। যেখানে অধ্যাপক ১৩জন, সহযোগী অধ্যাপক ১২জন, সহকারী অধ্যাপক ৪৪ জন এবং প্রায় ১৬০ জনের অধিক লেকচারারসহ বেশ কিছু খণ্ডকালীন শিক্ষক রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মোট ৩৮জন পিএইচডি ডিগ্রীধারী শিক্ষক রয়েছেন। 

যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে গ্রিন বিশ্ববিদ্যালয়। মেধাবী ও দক্ষ শিক্ষক নিয়োগের পর তাদের শিক্ষাদান দক্ষতা বাড়াতে আছে নিয়মিত প্রশিক্ষণ। এই ধারা গ্রিন ইউনিভার্সিটি ছাড়া দেশের মাত্র দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু আছে। প্রশিক্ষণ জগতের বরেণ্য ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ড. মো. গোলাম সামদানী ফকির বর্তমানে উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করছেন। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)-এর সাবেক অধ্যাপক ড. মো. ফায়জুর রহমান। এছাড়া সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন হিসেবে অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আজাদ, আইন অনুষদের ডিন হিসেবে অধ্যাপক ড. ফারহানা হেলাল মেহতাব ও বিজনেস স্টাডিজের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তারেক আজিজ কর্মরত আছেন।

টেক্সটাইলের ওপর দেশের একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ‘বুটেক্স’-এর প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য (সাবেক) অধ্যাপক ড. নিতাই চন্দ্র সূত্রধরের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে গ্রিনের টেক্সটাইল বিভাগ। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটের অভিজ্ঞ কিছু অধ্যাপকসহ উত্তর আমেরিকা ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অর্জন করা অর্ধ-শতাধিক পিএইচডি ডিগ্রীধারী শিক্ষক এখানে পাঠদান করছেন।

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য নিম্নোক্ত সূবিধাসমূহ রয়েছে

গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে স্প্রিং-২০২৩ সেমিস্টারে (ছয় মাসের সেমিস্টার) ভর্তি চলছে ।
✅ সর্বেোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ওয়েভার
✅ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, ছাত্রী, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও খেলোয়াড়রা সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ওয়েভার পাচ্ছেন।
✅ করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ২ জন একসাথে ভর্তি হলেও রয়েছে বিশেষ ছাড়।

গ্রিন ইউনিভার্সিটির প্রোগ্রাম সমূহ

  • সিএসই 
  • ইইই 
  • টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
  • বিবিএ, এমবিএ, ইএমবিএ
  • এলএলবি, এলএলএম
  • সমাজবিজ্ঞান
  • ইংরেজি এবং
  • জার্নালিজম ও মিডিয়া কমিউনিকেশন।

স্কলারশিপে বিদেশে পড়ার সুবিধা

গ্রিন ইউনিভার্সিটির কার্যক্রম বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ছাত্র-শিক্ষক বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব রেজিনা, যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব হাডারস্ফিল্ড, চীনের বেইজিং ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কালচারাল ইউনিভার্সিটি (বিএলসিইউ), উহান টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটি ও মালয়েশিয়ার বাইনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্কলারশিপে পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। চুক্তি রয়েছে মালয়েশিয়া, ইতালী ও ভারতের একাধিক ইউনিভার্সিটির সঙ্গেও।
 

ল্যাবরেটরি সুবিধা

শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ল্যাব, মাইক্রোপ্রসেসর ল্যাব, মাইক্রোকন্ট্রোলার ল্যাব, সফটওয়্যার শিক্ষার নিমিত্তে সর্বশেষ মডেল বা কনফিগারেশন সমৃদ্ধ কম্পিউটার এবং উইন্ডোজ নির্ভর ও লিনাক্র বা ইউনিক্র ভিত্তিক ল্যাব। এছাড়া রয়েছে ফিজিক্স ল্যাব, কেমিস্ট্রি ল্যাব, ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্স ল্যাব, ইলেক্ট্রিক্যাল মেশিনস ল্যাব, মাইক্রোপ্রসেসর অ্যান্ড ইন্টারফেসিং ল্যাব, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইলেক্ট্রনিক্স ল্যাব, কন্ট্রোল সিস্টেম ল্যাব, ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসিং ল্যাব, মাইক্রোওয়েব, টেক্সটাইল ল্যাব, জেএমসি ল্যাব, মাল্টিমিডিয়া ল্যাব ও ইনোভেশনসহ বিভিন্ন ল্যাবরেটরি।
 

যাতায়াত ও আবাসন সুবিধা

গ্রিন ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য রয়েছে ট্রান্সপোর্ট সুবিধা। প্রতিদিন রাজধানীর বেশ কয়েকটি রুট থেকে শিক্ষার্থীদেরকে স্থায়ী ক্যাম্পাসে নিয়ে যায় এই পরিবহন। অভিজ্ঞ ড্রাইভার দ্বারা পরিচালিত এই বাসগুলো শিক্ষার্থীদের নিয়মিত আনা-নেওয়ার পাশাপাশি স্টাডি ট্যুর, ইন্ড্রাজট্রি ভিজিট এবং অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত হয়। গ্রিন ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ বিভাগের প্রধান উপ-রেজিস্ট্রার জনাব মো. মাজহারুল ইসলামের তথ্যমতে অচিরেই রাজধানীর শেওড়াপাড়াসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ  লোকেশন থেকে পরিবহন সুবিধা প্রদান করা হবে। 
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশীরভাগ শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসে। শুধুমাত্র ক্যাম্পাস নয় গুণগত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের থাকা, খাওয়ার পরিবেশের গুরুত্বও কম নয়। শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট দূরীকরণে গ্রিন ইউনিভার্সিটি স্থায়ী ক্যাম্পাসে রয়েছে হোস্টেল সুবিধা যা অচিরেই বর্ধিত করা হবে বলে জানানো হয়। 

গ্রিন ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস

প্রতিষ্ঠানের নাম গ্রিন অথচ স্থায়ী ক্যাম্পাসে সবুজের ছোঁয়া থাকবে না; তা কী হয়? সম্ভবত এ কারণেই রাজধানী থেকে খানিকটা দূরে দৃষ্টিনন্দন ‘সবুজ ক্যাম্পাস’ গড়েছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি, যা শিক্ষার্থীদের কাছে ইটপাথরের ধূসর পরিবেশ ছাড়িয়ে জেগে ওঠা ‘একটুকরো সবুজ নগরী’ হিসেবেই পরিচিত। পূর্বাচল আমেরিকান সিটিতে নির্মাণাধীন সুপরিসর এ ক্যাম্পাসে শিক্ষার আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা যেমন রাখা হচ্ছে, তেমনি থাকছে পৃথক একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন এবং হোস্টেল সুবিধা। এছাড়াও নির্মাণাধীন এ ক্যাম্পাসটিতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ইন্টারনেট সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, উন্নত ল্যাবরেটরি, বিশাল খেলার মাঠ, ইনডোর গেমস রুম, আইটি সেন্টার, অত্যাধুনিক হল ও কনফারেন্স রুম, মেডিকেল সেন্টার, ক্যাফেটেরিয়া, জিমনেশিয়াম এবং যাতায়াতের জন্য গাড়িসহ আধুনিক অন্যান্য সব সুযোগ-সুবিধা থাকবে। স্বপ্নের এ ক্যাম্পাসে চলছে ভর্তি কার্যক্রম, নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা গ্রহণসহ অন্যান্য কর্মকাণ্ড। 

পড়ুন: কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চান, কোন ইউনিভার্সিটিতে পড়বেন দেখে নিন

বর্তমানে গ্রিন ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন প্রোগ্রামে ভর্তিচ্ছু মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, ছাত্রী, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও খেলোয়াড়রা সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত স্কলারশিপ পাচ্ছেন। এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফল ও করপোরেট প্রতিষ্ঠান থেকেও ভর্তি হলে রয়েছে বিশেষ ছাড়। 

ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীরা গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সিটি ক্যাম্পাস ২২০/ডি বেগম রোকেয়া সরণি, ঢাকা-১২০৭ এবং পূর্বাচল আমেরিকান সিটি ক্যাম্পাসে যোগাযোগ করতে পারবেন।

যোগাযোগ:
01324713502, 01324713503, 01324713504,
01324713505, 01324713507, 01324713508

ওয়েব: www.green.edu.bd

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *